শিক্ষার মান, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে বাকযুদ্ধ আর খোলা ম্যানহোল: পাঠকের প্রশ্ন

  • Author, মানসী বড়ুুয়া
  • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
স্কুলের ছাত্রী

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

বাংলাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫এর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে

চলতি সপ্তাহে আপনারা লিখেছেন বিশ্বকাপ ফুটবল, বাংলাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পটভূমিতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্যান্য আরও কিছু বিষয়ে।

বাংলাদেশে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলে জিপিএ ফাইভের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও শিক্ষার মান আদতে কতটা বাড়ছে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

“ আমাদের দেশে বিগত কয়েক দশকে শিক্ষার পরিমাণগত বিকাশ অনেকখানি হয়েছে বটে, তবে গুণগত উন্নয়ন তেমন ঘটেনি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর গুণগত যোগ্যতা অর্জনের মান অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক।

“মাধ্যমিক শিক্ষার অবস্থাও প্রাথমিক শিক্ষার মতো। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও হার ক্রমশ বাড়লেও শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে বাংলাদেশ ভীষণভাবে পিছিয়ে রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। দেশে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। বস্তুতপক্ষে সব স্তরের শিক্ষাতেই তাত্ত্বিক ধারা প্রাধান্য বিস্তার করছে, যা আমাদের জন্য মোটেও স্বস্তির বিষয় নয়।”

এই উদ্বেগ বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাবিদেরই। পাশের হার সেইসঙ্গে জিপিএ ফাইভ পাওয়ার হার যেভাবে বাড়ছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান কতটা বাড়ছে সেটাই বড় প্রশ্ন। মানের ঘাটতি ধরা পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির পরীক্ষায় এবং চাকরির জন্য যোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে।

শিক্ষা যদি শুধু সিলেবাস কেন্দ্রিক হয়ে যায়, আর লক্ষ্য যদি হয় সিলেবাস ধরে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া মানে মুখস্থ করা, তাহলে ফল নিঃসন্দেহে খুব ভাল হবে, কিন্তু ভবিষ্যত কর্মজীবনে ভাল করার জন্য সিলেবাসের বাইরেও যে বাড়তি জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন সেটা হবে না। আর সে কারণেই গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আসলে শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে এখন আরও চিন্তাভাবনার সময় এসেছে।

আরও পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

পাশের হার আর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

একই বিষয় নিয়ে লিখেছেন ছোট জামবাড়িয়া, ভোলাহাট চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা:

“জাতিসংঘের ১৯৪৮ এর ডিক্লারেশনে পরিষ্কার বলা আছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সবার জন্য। মাধ্যমিক শিক্ষা হবে কর্মমুখী, যা কর্মোপযোগী জনগোষ্ঠী তৈরি করবে। উচ্চ শিক্ষায় নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। যিনি মেধাবী হবেন তিনিই উচ্চ শিক্ষা নেবেন।আমাদের দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে, বেড়েছে জিপিএ -৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। সাথে সাথে বেড়ে চলেছে শিক্ষিত বেকারেরও সংখ্যা। 

“অনেক ক্ষেত্রেই মেধা তালিকায় জিপিএ -৫  প্রাপ্তরা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় বা চাকরির পরীক্ষায় অনেকাংশে আশানুরূপ মেধার প্রতিফলন ঘটাতে পারছে না। তাহলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কি জাতিসংঘের ১৯৪৮ এর ডিক্লারেশনের আলোকে বাস্তবায়িত হচ্ছে না?”

 আসলে শিক্ষাপদ্ধতির সংস্কারে মুখস্থ বিদ্যার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রুটিনবদ্ধ পাঠ্যক্রম থেকে বেরিয়ে আসাটা প্রয়োজন বলে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন। পাঠ্যক্রমকে আধুনিক ধাঁচে ঢেলে না সাজালে আর শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিজ্ঞানসম্মত না করলে মেধার বিকাশ হয় না। শিক্ষার্থীদের লজিকাল বুদ্ধিবৃত্তি গড়ে তোলার সুযোগ যদি ছোটবেলা থেকে করে দেয়া না হয়, তাহলে তার জানার আগ্রহও বিকশিত হয় না। দেশের শিক্ষাবিদরা এবং শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যারা যুক্ত আশা করা যায় তারা এসব বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারে উদ্যোগী হচ্ছেন। 

দারিদ্রের কারণে নারী বিক্রি

ভিডিওর ক্যাপশান,

আফগানিস্তানে ক্ষুধার জ্বালায় মেয়েকে বিক্রি করে দিচ্ছেন বাবা

আফগানিস্তানের চরম দারিদ্র নিয়ে পরের চিঠিটি লিখেছেন জোৎ শ্রীপুর, মাগুরা থেকে রিপন বিশ্বাস: 

“চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে ভয়াবহ ও মর্মান্তিক ঘটনার খবর দেখলাম বিবিসি বাংলাসহ অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে। আফগানিস্তানে চরম দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষে স্থানীয় মানুষজন নারীদের বিক্রি করছে এবং শিশুদের খাবার জোগাতে না পেরে বিক্রি করে দিচ্ছে অথবা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখছে, যা বর্তমানে বিশ্বের জন্য এক ভয়াবহ অশনি সংকেত। এই প্রেক্ষিতে বিশ্ববাসী ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর করণীয় কী হতে পারে?”

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক ভরাডুবি শুরু হয়েছিল তালেবান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগে থেকেই। তালেবান ক্ষমতা নেবার পর তা আরও ব্যাপক হয়েছে। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে আন্তর্জাতিক তহবিল আসা অনেকাংশে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে। ফলে বেকারত্ব কোথাও কোথাও চরমে পৌঁছেছে।

দেশটির তৃতীয় সবচেয়ে বড় শহর হেরাত থেকে বিবিসির সংবাদদাতা পরিবারগুলোর মর্মান্তিক জীবনযাপনের যে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বলেছে তালেবান সরকার আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয়েই তাদের প্রতি উদাসীন। দেশের ভেতর কর্মসংস্থান তৈরি করা এখন নিতান্তই জরুরি।

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা সমর্থকদের যুদ্ধ

ছবির উৎস, aldorado10

ছবির ক্যাপশান,

বিশ্বকাপের আসর বসলে বাংলাদেশে ফুটবল ভক্তরা সমর্থন প্রকাশে দু'ভাগে ভাগ হয়ে যান – ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার পক্ষে

এবারে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গ। এ প্রসঙ্গে প্রথম চিঠি এই টুর্নামেন্টের ম্যাচ নিয়ে নয়, বরং বাংলাদেশের সমাজে এই বিশ্বকাপের প্রভাব নিয়ে। লিখেছেন প্রসাদপুর, সাতক্ষীরা থেকে শামীমা আক্তার লিপি: 

“আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের তির্যক মন্তব্যের দ্বন্দ্বে সংঘাত হয়েছে কি না জানি না। তবে এই নিয়ে সংসারযুদ্ধ, সহকর্মীযুদ্ধ, বন্ধুযুদ্ধ, স্বজনযুদ্ধ সব সময় চলছে। এগুলো কি খেলার আনন্দকে মাটি করে দিচ্ছে না?”

খেলায় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করা নিয়ে বিবাদ বিরোধ চিরকালীন একটা সমস্যা। নিজের দলের প্রতি সমর্থন সবসময়ই একটা গভীর আবেগের বিষয়। আর সে কারণেই বিষয়টা নিয়ে তর্কাতর্কি, মনোমালিন্য, বাকযুদ্ধ ঠেকানো কঠিন। এই‌ বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই খেলা উপভোগ করা ছাড়া আর কী করার আছে।

এত দূরের দুটি দেশের ফুটবল টিমের জন্য কেন এই আবেগ আর উন্মাদনা - কেন বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা দুভাগে ভাগ হয়ে যান আর এই মৌসুমে কেনই বা তারা একটা প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েন- তা কি কোন যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব?

আর আপনি বলছেন সংঘাত হয়েছে কি না জানি না। আর্জেন্টিনা ব্রাাজিল নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে ছুরি মেরে এক কিশোরকে খুন করা হয়েছে চাঁদপুরে- এমন খবরও এসেছে।

ফুটবল নিয়ে ভবিষ্যতবাণী?

ফুটবলের ভবিষ্যতবাণী নিয়ে পরের চিঠি লিখেছেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গাজী মোমিন উদ্দীন:  

“বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২এ ফাইনালিস্ট কারা হবে তা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা কল্পনা চলছে। ইদানিং শুনছি, কোন গবেষণা সংস্থা নাকি গত তিন বিশ্বকাপ ধরে আগাম বলে দিচ্ছে কারা চ্যাম্পিয়ন হবে। গত তিনবার নাকি তাদের কথা সত্যি হয়েছে।  এবারও নাকি তারা ভবিষ্যৎ বাণী করেছে যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফাইনালে যাবে এবং আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে জিতবে। এটি কি গুজব না বাস্তবে কিছু আছে?”

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান,

আরও একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে আর্জেন্টিনা, আর এই স্বপ্নের কেন্দ্রে রয়েছেন লিওনেল মেসি

বেশ কিছু সংস্থা আছে যারা বিশ্বকাপ ফুটবলে কোন দলের জয়ের সম্ভাবনা আছে কিছু হিসেব-নিকেশের ভিত্তিতে সে বিষয়ে পূর্বাভাস করে থাকে। বিভিন্ন দলের অতীত পারফরমেন্স এবং দলের খেলোয়াড়দের অতীত পারফরমেন্স আমলে নিয়ে তারা জয় নিয়ে কিছু আভাস দিয়ে থাকেন, যেটাকে উইন প্রেডিকশন বলা হয়।

এই উইন প্রেডিকশন করা হয় শুধু ফুটবলের ক্ষেত্রেই নয়, ক্রিকেট এবং অন্যান্য গেমসেও, যেমনটা করা হয়েছিল গত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময়ও। এটা কিন্তু আন্দাজে, বা কোন ধারণার ভিত্তিতে করা হয় না বা এর সঙ্গে অলৌকিকত্বের কোন যোগ কিন্তু নেই। আসলে হিস্টরিকাল ম্যাচ ডেটা যেটার ভিত্তি খেলার গত ৫ বা ১০ বছরের অতীত পারফর্মেন্স সংক্রান্ত তথ্য তা কম্পিউটারে ঢুকিয়ে সেটা বিশ্লেষণ করে এই প্রেডিকশন বা আভাস দেয়া হয়।

তবে সেসব আভাস কোন কোন সময় মিলে গেলেও সবসময় যে তা সঠিক প্রমাণিত হয়েছে তা কিন্তু নয়। আর এটাকে কোনভাবেই ভবিষ্যতবাণী বলা চলে না।

লাইভ খেলার প্রচার নিয়ে ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন দেবীগঞ্জ পঞ্চগড় থেকে দিপক চক্রবর্তী:

“বিবিসির কোন সাংবাদিক কি মাঠ থেকে সরাসরি ফিফার খেলাগুলো প্রচার করতে পারতেন না?”

প্রথমত কাতারে গিয়ে বিভিন্ন ভেন্যু থেকে খবর দেবার জন্য জনবল আর অর্থবল প্রয়োজন। তার থেকেও বড় কথা হল সেই লোকবল আর অর্থ খরচ করার পরেও বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচগুলোর খবর সরাসরি মাঠ থেকে প্রচারের ওপর অনেক বিধিনিষেধ আছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব খুবই জটিল এবং কড়াকড়িও অনেক। সে কারণে অতীতে বিশ্বকাপ কভার করতে সাংবাদিক পাঠিয়েও মাঠ থেকে খেলার খবর আমরা দিতে পারিনি।   

ছবির ক্যাপশান,

ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল ঢাকায় একটা বড় সমস্যা

ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল

ভিন্ন একটি প্রসঙ্গ এবার- ঢাকার খোলা ম্যানহোল নিয়ে লিখেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:

“সম্প্রতি জার্মান উপরাষ্ট্র দূত ঢাকার রাস্তায় একটি ম্যানহোলে পড়ে যাবার পর তিনি একটি ফেসবুক পোস্ট দেন। ফেসবুক পোস্টটি দেখার পর দ্রুত রেসপন্ড করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একজন উপরাষ্ট্র দূত ম্যানহোলে পড়ার পর কেন ঘুম ভাঙলো সিটি কর্পোরেশনের?

“আমার মতো সাধারণ মানুষ তো প্রায়ই ম্যানহোলে পড়ছেন তখন তো সিটি কর্পোরেশনকে ম্যানহোল ঠিক করতে এগিয়ে আসতে দেখা যায় না। কেবল ঢাকাতে নয় ঢাকার বাইরেও প্রতিটি শহরে এমন শত শত ম্যানহোল চোখে পড়ে। পথচারীদের দুর্ভোগ এড়াতে এসব ম্যানহোল ঠিক করতে নিজ তাগিদেই সিটি কর্পোরেশনগুলোর এগিয়ে আসা উচিৎ বলেই আমি মনে করি।”

ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল একটা বড় সমস্যা। খোলা ম্যানহোলে পড়ে জার্মানির উপরাষ্ট্রদূতের পা জখম হবার পর দ্রুত ওই ম্যানহোলে ঢাকনা মেরামত করা হয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। জার্মান উপরাষ্ট্রদূত টুইট করে তার আহত হবার খবর ছবিসহ পোস্ট করার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ঢাকনাহীন ম্যানহোলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা তো ঘটছেই, এমনকী ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে শিশুমৃত্যুর ঘটনাও আগে ঘটেছে।  বিদেশি নাগরিকরা জখম হলে যেমন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, আশা করা যায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনগুলো একই ধরনের দ্রুততার সঙ্গে খোলা ম্যানহোলগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেবে।

আরও পড়তে পারেন:

ওয়েবসাইটে চিঠিপত্রের জবাব

ছবির ক্যাপশান,

শ্রোতাদের চিঠিপত্রের অনুষ্ঠান করছেন সিরাজুর রহমান (বামে) এবং কমল বোস

সবশেষে বিবিসি বাংলার রেডিও বন্ধ নিয়ে একটি চিঠি - লিখেছেন  পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও থেকে মীর রিপন আলী:

“বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সকলের মতো আমিও স্তম্ভিত। স্বল্প সময়ে দেশ ও বহির্বিশ্বের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপনে বিবিসির জুড়ি মেলা ভার। রেডিওর জনপ্রিয় কিছু  ফিচার অনুষ্ঠান হয়তো আমরা মিস করবো, কিন্তু আশা করি অনলাইন এবং টেলিভিশনে নতুন কিছু  যুক্ত হবে এবং শ্রোতাদের চিঠিপত্রের অনুষ্ঠান রেডিওতে বন্ধ হলেও , ওয়েবসাইটে “চিঠিপত্র ও মতামত” শিরোনামে তা পুনর্বহাল রাখা যেতেই পারে।”

আমরা এ অনুষ্ঠানে আগেও বলেছি রেডিও বন্ধ হবার পর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নতুন কিছু সংযোজনের পরিকল্পনা করা হবে কি না এবং পাঠকের চিঠিপত্র ও মতামত নিয়ে বিশেষ কোন আয়োজন করা হবে কি না তা এখুনি বলা সম্ভব নয়। এসবই এখনও পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে আর তাই এখনই এ বিষয়ে কোন প্রতিশ্রুতি দেয়াও সম্ভব হচ্ছে না। 

চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।